Monday, September 19, 2016

মুরগী খামার কিভাবে করবেন?

মুরগীর খামার নিয়ে কিছু পরিকল্পণাঃ
অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীতা ব্যতিত জুম্মদের মুক্তি অসম্ভব।এখন সময় হয়েছে উতপাদন মুখি প্রকল্পে হাত দেওয়ার।সমাজ পরিবর্তনের আশা নিয়ে আমরা আমাদের গ্রামে গড়ে তুলেছিলাম একটা ক্লাব।আশা গ্রামের একটা শিশুও যেন আর নষ্ট না হয়। কিনতু কয়েক বছরের মধ্যেই বুঝা গেল এত সহজ নয় একটা সমাজ পরিবর্তন।এই কয় বছরের মধ্যেই সদস্য সদস্যাদেরও (সবাই নয়) মনে হল দম কমে গেছে অনেক্ষানি।এমন নয় যে তাদের স্বদিচ্ছা হ্রাস পাচ্ছে। যতই বয়স বাড়ে আমরা ততই চাপে পড়তে থাকি। এরই পেক্ষাপটে কি করা যায় তা ভাবতে ভাবতেই আমরা কয়েকজন বনধু মিলে ঠিক করেছি একটা মুরগীর খামার করার।
আমাদের আগ্রহ লেয়ার মুরগীর খামারে।তবে লেয়ার মুরগীর খামারের প্রধান সমস্যা হচ্ছে দীর্ঘ মেয়াদী খাবারের যোগান দেয়া।যা কম পুঁজির উদ্দোক্তাদের প্রদান সমস্যা। আর বাজারে রেডিমেড মুরগীর খাবারের দাম প্রচুর।নেট ঘাটাঘাটি করতে করতে এর একটা যুতসই সমাধানও অবশ্য পাওয়া গেছে। এই খাদ্য আমরা চাইলেই নিজেরাই ঘরেই তৈরি করতে পারি।আর এক্ষেত্রে আমাদের সুবিধা হচ্ছে আমাদের গ্রামে বানিজ্যিক ভাবে প্রচুর পরিমানে ভূট্টার চাষ হচ্ছে। যা মুরগীর খাদ্যের অন্যতম প্রধান উপাদান।নিচে ১০০ কেজি ওজনের বিভিন্ন উপাদান গুলোর একটা তালিকা দিলামঃ
গম/ভুট্টা ভাঙ্গা/চালের খুদ =৪০ কেজি,
গমের ভূষি = ৫ কেজি,
চালের কুড়া= ২৫ কেজি,
তিলের খৈল =১২ কেজি,
শুটকি মাছের গুড়া= ১০ কেজি,
ঝিনুকের গুড়া =৭.৫ কেজি,
লবন = .৫ কেজি,
মোট = ১০০ কেজি।
উপরোক্ত সব উপাদান প্রায় সবই হাতের নাগালেই পাওয়া যাবে।ফলে ব্যয়টা অনেক্ষানি হ্রাস করা সম্ভব হবে।
তবে এসব বাদেও আরো অনেক সমস্যা আছে তার মধ্যে প্রধান সমস্যা হচ্ছে বাচ্চার দাম। আজ একটা বাচ্চা বিক্রির দোকানে কল দিয়ে জানতে পারলাম লেয়ার মুরগীর বাচ্চার দাম ১০০ আর ব্রয়লার বাচ্চার দাম ৬৫ টাকা।এই দামে বাচ্চা কিনে তেমন কিছুই লাভ করা যাবে না।মূলত এই দামটা ফাইনাল না হলেও বাচ্চার দাম খুব একটা কমও নয়।
তাই লাভ করতে হলে আজ না হলে কাল নিজস্ব ভাবে বাচ্চা উতপাদনে যেতেই হবে।তবে বাচ্চা উতপাদন যে খুব একটা কঠিন তাও না।বর্তমানে দেশীয় ভাবেই মাসে ৫০০০ বাচ্চা উতপাদনে সক্ষম একটা ইনকিউবেটর লাখ খানেক টাকা খরচেই পাওয়া যায়।
কার্টেসী-  Newton Chakma

No comments:

Post a Comment