Saturday, March 3, 2018

কলকাতা ভ্রমণের নতুন অভিজ্ঞতা

ভ্রমনের তারিখ ছিল ৯/০২/২০১৮ ইং রোজ শুক্রবার। এই দিনটি আমার জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ন দিন। আমার স্মৃতি থেকে কোন দিন মুছে যাবে না।। তার কারন, আমার জীবনে প্রথম আমি কোথাও দেশের বাহিরে যাচ্ছি। আরও প্রথম আমার বিমানে ভ্রমন।
চট্টগ্রাম শাহ্ আমানত বিমান বন্দরে বডিং পাস করার সময়।


এভাবে শুরু হয়েছিল আমাদের ভ্রমনের দিনটা আমরা খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করেছিলাম। আমাদের ফ্লাইট ছিল ২ টাই। তাই আমাদের ২ ঘন্টার আগে চট্টগ্রাম শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌছাতে হবে। তার কারন, সেখানে বডিং পাস তারপর ইমেগ্রেশন সহ অনেক কিছু কাজ আমাদের করতে হবে। এবং সেখানে অনেক সময় লাগে। তাই আগে ভাগে বিমান বন্দরে পৌছাতে হলো।

বিমান বন্দরে গিয়ে দেখি আমাদের পরিচিত অনেক জন কলকাতায় যাচ্ছে। তারা কেউ চিকিৎসার জন্য যাচ্ছে আবার কেউ ভ্রমন করতে আর কেউ আমরা যে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করতে যাচ্ছি সেখানেও তারা যাচ্ছে। সবার একি ফ্লাইট।


মন একটু উত্তেজিত লাগছিল তাই ফেসবুকে স্ট্যাটাশ দিয়েছিল।

আমরা সবাই বিমানে উঠলাম। বিমানে উঠে মনটা কেমন জানি করছে। সব কিছুই আমার জন্য নতুন তাই ভয়, উৎকন্ঠা, উত্তেজিত ও আবেগ এক সাথে কাজ করছে।

ফ্লাইটে ভিতরে আপনার করনীয় কি কি?
যা হোক বিমান উদ্দয়ন করল। আমরা উড়তে শুরু করলাম। তবে বিমানে ডুকার পর সীট খুজার জন্য বিমান বালারা অনেক হেল্প করেছে। তাদের সহায়তাই আমরা আমাদের সীট খুজে পেয়ে বসলাম। একে একে সবার বসার শেষ হয়ে গেলে। তারা সবাইকে সীট ব্যাল্ট বাদার জন্য অনুরোধ করে। সেই সাথে তারা সেখানে উপস্থাপন করে কিভাবে সীট ব্যাল্ট বাদতে হয়। সেটা দেখানোর পরে আবার প্রত্যেক যাত্রীকে দেখে নেই যে তারা ঠিক মত সীট ব্যাল্ট বেধেছে কি না। 

যাত্রা পথে নাস্তা









তারপর শুরু হয় যাত্রা। যাত্রার পথে তারা অনেক আন্তরিকতার সহিত নাস্তা, পানী, জুস বিতরন করেন। আর আন্তরিকতার সহিত সেগুলো নিয়ে যায়। আপনি মন চাইলে সেগুলো খেতে পারেন না চাইলে খেতে হবে না। 
বিমানে উড়ার সময়


আমদের কলকাতা পৌছার জন্য সময় লেগেছিল মাত্র ৪৫ মিনিট। কখন যে ৪৫ মিনিট শেষ হয়ে যায় হিসাব থাকে না। 

ইমেগ্রেশন করার পর









কলকাতা আন্তর্জাতিক নেতাজী সুভাস চন্দ্র বসু বিমান বন্দরে ল্যান্ড করার পর আমাদেরকে জানিয়ে দেয়া হয় যে সেখানকার স্থানীয় সময় ২.৩০ মিনিট এবং তাপমাত্রা প্রায় ৩০-৪০ ডিগ্রি। যেখানে আমরা বাংলাদেশ থেকে গিয়েছিলাম। শীতের কাপর পড়ে কিন্তু এখানে গিয়ে দেখলাম সব কিছু অন্য দিকে। 
যা হোক আমরা ল্যান্ড করলাম। ল্যান্ড করার পর আমরা সোজা ইমেগ্রেশন করতে গেলাম। সেখান থেকে সব কিছু শেষ করতে প্রায় ঘন্টা দেড়েক লেগেছিল। 

ল্যান্ড করার পর

সব কিছু শেষ করে আমরা বিমান বন্দর থেকে বের হলাম। আমাদের জন্য আগে থেকে গাড়ি রাখা হয়েছে। তাই গাড়িতে চেপে বসলাম। চলতে চলতে সন্ধ্যা হয়ে গেল।

যেহেতু নতুন কলকাতা শহর। তাই আমার চোখ চারদিকে সব কিছু দেখছি। তাদের ট্রাফিক দেখেছি। অনেক সুন্দর লেগেছে। আর রাস্তাগুলো প্রচুর বড় বড়। আর গাড়ি গুলো সুন্দর ভাবে চলছে। পৌছতে পৌছতে সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল। তারপর আমাদেরকে জাক জমক ভাবে অভ্যার্তনা করা হয় 
ইমেগ্রেশন যাওয়ার পথে

No comments:

Post a Comment